যেভাবে ক্যারিয়ার পরিকল্পনা করা উচিত


কোন পেশায় প্রবেশের পূর্বে ক্যারিয়ার পরিকল্পনা প্রণয়ন করা জরুরি। চাকুরির বাজার তীব্র প্রতিযোগীতাপূর্ণ হওয়ায় পরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়টি সুক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
আত্মপ্রকৃতি যাচাই
নিজের প্রকৃতি বিরুদ্ধ কোন পেশা ব্যক্তির জীবনে সর্বাঙ্গীন সফলতা আনতে পারে না। এ কারণে ক্যারিয়ার প্ল্যানিং পদ্ধতির এই স্তরে একজন চাকুরিপ্রার্থীকে মনে রাখতে হবে যে, প্রত্যাশিত চাকুরিটি যেন তার সহজাত পছন্দ বা আগ্রহ এবং আদর্শ, বিশ্বাস ও মূল্যবোধের পরিপন্থী না হয়।এছাড়াও শারীরিক ও মানসিক দক্ষতাকে সামনে রেখে পেশা পছন্দ করা জরুরি। কারণ শিক্ষা জীবনে অর্জিত বিষয়ই যদি কর্মক্ষেত্রের বিষয় হয় তাহলে সেক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হয়।


পেশা নির্বাচনের উপায় সীমিত ধারণার উপর ভিত্তি করে ক্যারিয়ার হিসেবে কোন পেশাকে ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় নেওয়া উচিত নয়। কাঙ্ক্ষিত পেশাটি ক্যারিয়ার পরিকল্পনায় স্থান দেওয়ার পূর্বে সে সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পঠন-পাঠন পরীক্ষা খুবই জরুরি। পেশা সম্পর্কে ধারণা ও তথ্য সংগ্রহের জন্য যে বিষয়গুলোর সাহায্য নেওয়া যেতে পারে তা হলো- ১.সংশ্লিষ্ট পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গের পরামর্শ। ২.পেশাদার ক্যারিয়ার কাউন্সিলরদের কাউন্সিলিং (পরামর্শ)।
*পেশা অর্জনের ক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদী উভয় option ই নির্ধারণ করা।
৩.পেশার ক্ষেত্রসমূহে (অফিস, আদালত মিল, ফ্যাক্টরি ইত্যাদি) সরেজমিনে ভ্রমণ। ৪.খণ্ডকালীন চাকুরি, internships, volunteer সার্ভিসের মাধ্যমে। ৫.সংশ্লিষ্ট পেশা সম্পর্কে লিখিত বই এবং তথ্যবহুল সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে। পেশা নির্দিষ্ট কারণ এই ধাপে একজন প্রার্থীর উচিত- *সম্ভাব্য পেশাকে নির্দিষ্ট করা *সেই পেশাকে মূল্যায়ন করা *ব্যতিক্রম কিছু থাকলে সেগুলোকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা। পেশা অর্জনের প্রয়োজনীয় উপকরণ ১.সংশ্লিষ্ট পেশা সম্পর্কে অতিরিক্ত শিক্ষা বা ট্রেনিং এর উৎসগুলো তদন্ত করা।
৬.প্রয়োজনে কোচিং করা।
২.চাকুরি খোঁজার কৌশল নির্ধারণ করা। ৩.Resume বা জীবনবৃত্তান্ত লিখা। ৪.চাকুরির সাক্ষাৎকারের জন্য প্রস্তুতি নেয়া।
৫.ভাল আবেদনপত্র লেখার অভিজ্ঞতা অর্জন।

No comments

Theme images by enot-poloskun. Powered by Blogger.